ত্বকের দাগ দূর করার অতি সহজ কয়েকটি উপায় !

ব্রণ কিংবা দূর্ঘটনাবশত ত্বকে অনেক সময় দাগ হয়ে যায়। একবার দাগ পড়ে গেলে সেই দাগ সহজে যেতে চায় না। অনেক দিন চলে গেলেও পুরোপুরি যেতে চায় না দাগ গুলো। ত্বকে দাগ পড়ে থাকলে দেখতেও খারাপ দেখায়। অনেক সময়ে মেকআপ করেও ঢাকা যায় না দাগ গুলো।

তাই ত্বকে দাগ থেকে মুক্তি পাতে অনেকেই ছুটে যান চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ অথবা বিঊটি পার্লারে। কেউ কেউ আবার লেজারও করিয়ে ফেলেন। কিন্তু ত্বকের দাগ থেকে মুক্তি পাওয়ার আছে কিছু সহজ প্রাকৃতিক উপায়। এসব পদ্ধতি ব্যবহার করলে এক রাতের মধ্যে দাগ থেকে মুক্তি না পেলেও ধীরে ধীরে দাগ মিলিয়ে যায় পুরোপুরি। আসুন জেনে নেয়া যাক ত্বকের দাগ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার ৪ টি প্রাকৃতিক উপায়।

লেবুর রস
লেবুর রসে আছে আলফা হাইড্রোক্সি এসিড যা ত্বকের মৃত কোষ সরিয়ে দিতে সহায়তা করে এবং নতুন কোষ গঠন করে। ফলে ত্বকের দাগ হালকা হয়ে যায়। এছাড়াও লেবু হলো প্রাকৃতিক ব্লিচ যা দাগ হালকা করে দেয়।

ব্যবহারঃ প্রথমে দাগ ও তার চারপাশের ত্বক পরিষ্কার করে নিন। ত্বক পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিন। তুলায় ১ চা চামচ লেবুর রস নিন। ত্বকের যে স্থানে দাগ আছে সেখানে তুলা দিয়ে চেপে লেবুর রস লাগিয়ে নিন। অতঃপর ১০ মিনিট পর পানি দিয়ে মুখ ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।

মধু
দাগ দূর করতে মধু অতুলনীয়। এছাড়াও মধু প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক। তাই কাঁটা ছেড়াতেও মধু লাগালে ভালো হয়ে যায়।

ব্যবহারঃ ২ টেবিল চামচ মধুর সাথে ২ টেবিল চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। ৩ মিনিট ম্যাসাজ করুন। একটি টাওয়েল গরম পানিতে ভিজিয়ে মুখের উপর রাখুন। টাওয়েল ঠান্ডা হয়ে গেলে মুখ মুছে ধুয়ে ফেলুন।

অলিভ অয়েল
অলিভ অয়েলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই ও কে আছে। এছাড়াও আলিভ অয়েলের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট দাগকে হালকা করে দেয়।

ব্যবহারঃ ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল নিন। প্রায় ৫ মিনিট ধরে ম্যাসাজ করুন। ১০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন।

শসা
রুপচর্চায় শসা ব্যবহার করা খুবই কার্যকরী। শসা বেশ সস্তা এবং সহজলভ্য বলে ব্যবহার করাও বেশ সহজ এবং শসা ত্বকে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে না।

ব্যবহারঃ শসা ছিলে এর বীজ ফেলে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। শসার মিশ্রণটি দাগে লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখুন। ঠান্ডা পানি দিয়ে ত্বক ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফল পেতে প্রতিদিন ব্যবহার করুন।

গান শুনুন এক ঘণ্টার বেশি নয়

নিজের শ্রবনশক্তি ঠিক রাখতে চাইলে দিনে এক ঘণ্টার বেশি গান শুনবেন না। কারন দিনে এক ঘণ্টার বেশি গান শুনলে আপনার শ্রবনশক্তির মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এ কথা জানিয়েছে।

বেশি সময় ধরে গান শোনা এবং উচ্চ শব্দে গান শোনার কারনে সারা বিশ্বে ১১০ কোটি টিনএজার এবং তরুণ প্রাপ্ত বয়স্ক চিরদিনের জন্য শ্রবনশক্তি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে WHO জানিয়েছে।

সিডি প্লেয়ার, কনসার্ট এবং বার-এ যে বিকট শব্দে গান শোনা হয় তা শরীরের জন্য মারাত্মক হুমকি স্বরুপ বলে জানিয়েছে জাতি সংঘের এ সংস্থাটি।

WHO এর হিসাবে ১২ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ৪ কোটি ৩০ লাখ মানুষ এরই মধ্যে শ্রবণ শক্তি হারিয়েছেন এবং এ সংখ্যা ভবিষতে আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

WHO বলছেন, ধনী ও মধ্যম আয়ের দেশ গুলো ১২ থেকে ৩৫ বছর বয়সীদের অর্ধেকই নিজের সিডি প্লেয়ারে মাত্রাতিরিক্ত জোরে গান শুনে থাকেন।

তাই আমরা যারা সবসময় গান শুনি বিশেষ করে মোবাইলে হেডফোন লাগিয়ে যারা বেশি সাউন্ড দিয়ে গান শুনি তাদেরকে এ ব্যপারে সচেতন হওয়া অবশ্যই উচিত।

চুলের ক্ষতি এড়াতে কি করবেন ?

কোঁকড়া চুলকে যেমন সিল্কি করে তোলা যায়, তেমনি হেয়ার জেল, স্প্রে, রোলার ইত্যাদি ব্যবহার করে সিল্কি চুলকেও কোকড়ায় রূপান্তরিত করা যায়। চুল খুব বেশি কোঁকড়া না হলে, অর্থাৎ ঢেউ খেলানো হলে আয়রনিং- এর মাধ্যমে চুল সাময়িক ভাবে সোজা করা যায়। তবে সমস্যা হচ্ছে আয়রনের তাপ মাত্রায় চুলের সব ময়েশ্চার চলে যায়। ফলে চুল হয়ে ওঠে রুক্ষ ও ভঙ্গুর। নিজেকে সুন্দর দেখানোর জন্য অনেকে বদলে ফেলেন চুলের রঙও। বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থে তৈরি এসব হেয়ার কালার চুলকে সুন্দর করে শুধু বাহ্যিকভাবে, ভিতরে ভিতরে ক্ষতি করে ভীষণ।

চুলের প্রাকৃতিক ধরণ কৃতিম উপায়ে বদলে ফেললে যতই সুন্দর দেখাক না কেন, তা আপনার চুলকে করে ক্ষতিগ্রস্ত। কখনো কখনো এই সাময়িক সৌন্দর্য আপনার চুলের স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে। তাই চুল নিয়ে যাই করুন না কেন, চুলের ক্ষতি এড়াতে মেনে চলুন কিছু বিষয়

১) চুলকে নরম ও চকচকে রাখতে সাহায্য করে কিঊটিকল। এই প্রোটিনের আস্তর চুলের ওপরে মাছের আঁশের মতো স্তরে স্তরে থাকে। এই আস্তর সমান্তরাল থাকে, চুলে হালকা দোলা লাগলেই এই আস্তরণ ফুলে উঠে এবং চুল চকচক করে উঠে। হেয়ার কালারের প্রথম কাজ হলো অ্যামোনিইয়ার মাধ্যমে এই আস্তরের ওঠানামা বন্ধ করা যাতে চুলের একেবারে গোড়া পর্যন্ত রং পৌঁছায়। অ্যামোনিয়ার কারনে চুলের কিউটিকল নষ্ট হয়ে যায়। ফলে চুল নিস্তেজ হয়ে পড়ে এবং উজ্জলতা হারায়। তাই যতটা সম্ভব কম হেয়ার কালার ব্যবহার করুন।

২) ব্লো ড্রয়ার বা হিটের ব্যবহার চুল থেকে প্রোটিন বের করে দেয়। ফলে চুল হয়ে পড়ে রুক্ষ। এমনকি চুল শুকানোর জন্য মাথায় তোয়ালে জড়িয়ে রাখলেও চুলের প্রাকৃতিক সুরক্ষা বা কিউটিকল সহজে ঝরে পড়ে। ফলে চুল চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই চুল স্বাভাবিক ভাবে শুকানোর চেষ্টা করুন।

৩) অনেকে চুলে শাইনি এফেক্টের জন্য সেরাম বা শাইন স্প্রে ব্যবহার করেন। এতে রয়েছে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ যা চুলকে ভঙ্গুর করে তোলে। এছাড়া এসব জিনিস অতিরিক্ত ব্যবহারে চুল চিটচিটে হয়ে পড়ে।

৪) অতিরিক্ত স্টাইলিং বা বার বার চুলকে কোকড়া-সোজা করতে থাকলে চুল তার স্বাভাবিক সৌন্দর্য হারায়। চুলের কিউটিকলও খুব ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই প্রতিবার শ্যাম্পু করার পর চুলে ভালো কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।

৫) ড্যামেজড চুলে স্টাইল করলে তা আরও ক্ষতির কারন হতে পারে। তাই আগে চুলের যত্ন নিন, তারপর অন্য কিছু করার কথা ভাবুন।

৬) চুল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অন্যতম কারন হলো চুল এলোমেলো হয়ে জড়িয়ে যাওয়া। ঘুমের সময় চুল হালকা করে বেঁধে ঘুমান। চুল বেঁধে ঘুমাতে অস্বস্তি লাগলে সিল্ক বা স্যাটিনের তৈরি নরম, মসৃণ বালিশে ঘুমান। এতে চুলে বেশি ঘষা লাগবে না।

জেনে নিন দ্রুত চুল বৃদ্ধির ৭ টি সিক্রেট

নিয়মিত চুল কাটুনঃ
চুলের নিরবিচ্ছিন্ন বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে নিয়ম করে চুলের আগা ট্রিম করুন প্রতি ২ মাসে অন্তত একবার চুলের আগা ছাটলে চুলের আগা ফাটে না বা চুল ড্যামেজ ও হয় না তাছাড়া চুলকে সুন্দর একটা সেপ দিতে হলে নিয়মিত চুল কাটতে হবে

নিয়মিত ব্রাশ করুনঃ
শুধুমাত্র চিরুনি দিয়ে চুল আছড়ালেই চলবে না প্রতিদিন অন্তত ১০ মিনিট চুলে ব্রাশ করুন এতে চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চলন বৃদ্ধি পায় এবং চুল মজবুত হয়

প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খানঃ
খাদ্য তালিকায় প্রচুর পরিমাণের প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যোগ করুন ফল-মূল, শাক-সবজি, মাছ, মাংস, দুধ ইত্যাদি খেলে প্রচুর পরিমাণে কেরাটিন উৎপন্ন হয় যা চুলের দ্রুত বৃদ্ধি নিশ্চিত করে

অ্যালোভেরা হেয়ার প্যাকঃ
৩ টি অ্যালোভেরা পাতার এক্সট্রাক্ট এর সাথে মধু মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগান ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন এছাড়া আরও একটি প্যাক তৈরি করতে পারেনটমেটো ব্লেন্ড করে তার সাথে অ্যালোভেরার নির্জাস ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে একটু গরম করে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে রাখুন আপনি চাইলে যতক্ষন ইচ্ছা রাখতে পারে।। এই দুইটি হেয়ার প্যাক চুল বৃদ্ধিতে ভাল কাজ করে

বায়োটিনঃ
বায়োটিন পানিতে দ্রবনীয় এক প্রকারের ভিটামিন বি। চুল বৃদ্ধিতে বায়োটিনেরও ভুমিকা আছে, তাই এটাও ট্রাই করে দেখতে পারেন।

নিয়মিত শ্যাম্পু করুনঃ
চুল পরিষ্কার রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ নিয়মিত শ্যাম্পু করুন প্রথমে বোতল থেকে হাতের তালুতে শ্যাম্পু ঢেলে একটু পানি দিয়ে ঘষে তারপর চুলে লাগান আঙ্গুল দিয়ে মাথায় বিলি কেটে শ্যাম্পু করুন তবে খেয়াল রাখবেন কখনই চুলের গোড়ায় বা মাথার খুলিতে যেন কন্ডিশনার না লাগে কারন কন্ডিশনার ত্বকের জন্য খুব একটা ভাল না

পরিমিত ঘুমঃ
স্বাস্থ্যবান, দীর্ঘ চুলের জন্য প্রয়োজন সুনিদ্রা কোষের বৃদ্ধি ও পুনর্জীবনের জন্য প্রতিদিন ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা ভালো করে ঘুমাতে হবে

চোখের যত্নে প্রয়োজনীয় কিছু টিপস

প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে চোখে ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিন মাঝে মাঝে গোলাপ পানিতে চোখ ধোয়ার অভ্যাস করুন যারা বেশি মানসিক পরিশ্রম করেন, অনিয়মের মধ্যে দিন কাটান, অনিদ্রা কিংবা রক্ত স্বল্পতায় ভোগেন তারাই চোখের নিচে কালি বা চোখের চারি ধারে বলিরেখা এই সমস্যায় আক্রান্ত হন এই সমস্যার হাত থেকে রেহাই পেতে

) আলু কিংবা শাসার টুকরো চোখের ওপর দিয়ে ১০ মিনিট চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নিন ক্লান্তি কাটবে চোখের তলায় কালি থাকলে দূর হবে

) যখন তখন চোখে হাত দিবেন না ও অযথা চোখ ঘষবেন না ময়লা থেকে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভবনা থাকে ঘষাঘষিতে চোখের নরম ত্বকে বলিরেখা পড়ে

) মুলতানি মাটি ও কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দইয়ের সাথে মিশিয়ে চোখের নিচে লাগালে উপকার পাবেন

) তুলসি পাতা বাটা ও চন্দন বাটা গোলাপ পানি দিয়ে মিশিয়ে চোখে লাগান

) ঠান্ডা টি-ব্যাগ চোখের পক্ষে আরামদায়ক

৬) ভিটামিন এ এবং ডি যুক্ত খাবার খাওয়া প্রয়োজন। গাজর, বিট, পেঁপে ইত্যাদি পুষ্টিকর শাক-সবজি ও ফল খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।

৭) সাজগোজের সময় ভালো ব্র্যান্ডের মেকআপ ব্যবহার করা উচিত।


দাবদাহে ত্বকের যত্ন নিবেন কিভাবে ?

গরম মানেই ত্বকের বারোটা কিন্তু ঘাবড়ানোর কিছু নেই সুন্দর রুপশ্রীর গোপন রহস্য ফাঁস করতে জানাবো আপনাদের সঠিক রুপচর্চার ৪ টি ধাপ

ব্লিচিং
৪ চা চামচ দুধ, ১ চা চামচ মধু, ২ চা চামচ লেবুর রস ভাল করে সব মিশিয়ে নিয়ে মুখের কালো জায়গা গুলোতে মেখে ফেলুন ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেনুন

ক্লেনজিংর
১ চা চামচ মধু, ৩ চা চামচ লেবুর রস ভাল করে মুখে মেখে ২-৩ মিনিট ধরে ম্যাসাজ করুন কিছুক্ষন পড়ে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন

স্ক্রাবিং
১ চা চামচ বেসন, ১ চা চামচ লেবুর রস, -৩ টি পুদিনা পাতা ভাল করে মিশিয়ে নিয়ে মুখে মেখে ধীরে ধীরে ম্যাসাজ করুন

টোনিং
ঘৃতকুমারী (অ্যালোভেরা) পাতার রস গোলাপ জলের সাথে মিশিয়ে সেই পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন
এভাবে রুপচর্চা চালিয়ে গেলে গরমেও আপনার ত্বক সুন্দর থাকবে

কিভাবে সহজেই দীর্ঘক্ষণ পারফিউম ধরে রাখবেন ?

পারফিউম বা সুগন্ধি বর্তমান সময়ের সাজ-সজ্জার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। আর গরমে পারফিউম না ব্যবহার করলে আপনাকে যে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হবে তা নিশ্চিত করেই বলা যায়। তবে শুধু পারফিউম ব্যবহার করলেই চলবে না। এমন ভাবে ব্যবহার করতে হবে যেন তা আপনাকে দীর্ঘক্ষণ সঙ্গ দেয়। কয়েকটি পন্থা অবলম্বন করলেই সহজেই তা অনেকক্ষণ ধরে রাখতে পারবেন।

১) পারফিউম প্রয়োগের সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো গোসলের পর, অর্থাৎ আপনার শরীর যখন পরিষ্কার ও শুভ্র থাকবে,

২) শরীরের যেইসব স্থানে আপনি পারফিউম প্রয়োগ করবেন সেই স্থান গুলো অবশ্যই আদ্র হতে হবে। এজন্য ঐ স্থান গুলোতে ভালভাবে ময়শ্চারাইজার বা লোশন দিন।

৩) আপনার সাবান, লোশন এবং পারফিউম হতে হবে একই ধরনের ফ্রাগরেন্স যুক্ত। যেমন আপনি যদি ফুলের সৌরভের পারফিউম ব্যবহার করতে চান তাহলে সাবান আর লোশনও ফুলের সৌরভের হতে হবে। কিন্তু এক্ষেত্রে পারফিউম যদি হয় চকলেট ফ্লেভারের তবে একটি আর একটিকে কম করে দিবে।

৪) এমন স্থান গুলোতে পারফিউম প্রয়োগ করুন যেখানে রক্ত চলাচল বেশি। যেমন- গলা, হাতের কব্জি, কানের পিছনে, বুকে, হাতের কুনুই, হাটুর পিছনের দিকে ইত্যাদি।

৫) আপনার পারফিউম যতো তীব্র হবে ততো দূর থেকে তা প্রয়োগ করতে হবে। তবে মুটামুটি ৫-৬ ইঞ্চি দূর থেকে প্রয়োগ করলে ভালো হবে।

আসুন জেনে নিই বয়স লুকানোর ১৭ টিপস্ !

বয়স লুকাতে চান? আপনার জন্য কিছু টিপস!

১) সপ্তাহে ৩ দিন রাতে ভালো মানের মধু খান ও মুখে মেখে ধুয়ে ফেলুন।

২) অবশ্যই নিয়ম মাফিক পানি পান করুন।

৩) অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে চলুন।

৪) পছন্দের বা বিনোদন মূলক স্থান গুলো ভ্রমণ করুন।

৫) ছলনা করবেন না। ভালবাসায় ছলনা আপনাকে অচিরেই ডুবিয়ে দিবে।

৬) প্রেমিকা বা প্রেমিকের সাথে বেশি সময় কাটান।

৭) নিজের চেয়ে বয়স বেশি, এমন মানুষের সাথে বেশি বেশি সময় কাটান।

৮) ইতিবাচক চিন্তা করুন। নেতিবাচক চিন্তা চেহারায় বয়সের ছাপ ফেলে।

৯) চোয়াল খানিক এলিয়ে থাকতে দিন। মিখের ভারিক্কি ভাব দূর হয়ে যাবে।

১০) শিরদাঁড়া সোজা রেখে দাঁড়িয়ে থাকার অভ্যাস করুন।

১১) সুযোগ পেলে নাচুন।

১২) বেশি বেশি মন খুলে হাসুন।

১৩) মন থেকে ভালবাসুন বই, গাছ, আকাশ ইত্যাদি।

১৪) সবসময় উদ্যমী ও প্রাণবন্ত থাকুন।

১৫) নিয়ম করে ঘুমান।

১৬) বৃক্ষজাত খাবার বেশি বেশি খান।

১৭) মুটিয়ে যাবেন না কখনই। মুটিয়ে যাওয়া মানেই নিজেকে বয়সী করে তোলা।

কিভাবে তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন নিবেন ?

একটুতেই ত্বক তেলতেলে হয়ে যায়। কখনো কখনো দেখা যায় ব্রনের উপদ্রব। এমন সমস্যা তৈলাক্ত ত্বকে বেশি। সমস্যা নিয়ে বসে থাকলে তো আর হবে না। সমাধানও আছে। তৈলাক্ত ত্বকে বাড়তি যত্নের প্রয়োজন হয়। ত্বক সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে। তবে এ ধরনের ত্বকের সুবিধা হলো সহজে বয়সের ছাপ পড়ে না। আর যেসব সমস্যা সঠিক ভাবে পরিষ্কার করলে অনেকটাই এড়ানো সম্ভব।

তৈলাক্ত ত্বকের মুখের যত্ন
তৈলাক্ত ত্বকে লোমকূপ বড় হয়ে যায়। তেল জমে সেসব বন্ধ হয়ে ব্রণ উঠে। তাই প্রতিদিন ভালভাবে ত্বক পরিষ্কার করতে হবে। বাড়িতে বসেই ত্বকের যত্ন নিতে পারেন। শসার রস তৈলাক্ততা দূর করতে খুবই কার্যকর। প্রতিদিন বাইরে থেকে এসে শসার রস দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে পারেন। এছাড়া স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে এর সাথে চালের গুঁড়া মিশিয়ে নিলেই হবে। যাঁদের মধুতে অ্যালার্জি নেই, তাঁরা সামান্য মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন এই মিশ্রণে। সপ্তাহে ২ দিন এই প্যাক ব্যবহার করলে ত্বক পরিষ্কার হবে। ব্লাকহেডস ও হোয়াইটহেডস দূর হয়ে যাবে। খেয়াল রাখতে হবে, ব্রণ থাকলে স্ক্রাব করা যাবে না।

আসুন জেনে নিই চুলের যত্নে দইয়ের ব্যাবহার !

আমরা সবাই দই খেতে পছন্দ করি দই খাওয়া যেমন আমাদের শরীরের জন্য উপযোগী, তেমনি দই আমাদের চুলের পিরচর্যায়ও অনেক কার্যকারী তাই আজ আমরা চুলের যত্নে দইয়ের ব্যাবহার সম্পর্কে জানবো

কোকড়া চুলের জন্যঃ ৩ চামচ দই এর সাথে ২ চামচ নারিকেল তেল এবং ৪ চামচ অ্যালভেরা জেল একসাথে মিশিয়ে চুলে আধা ঘণ্টার জন্য লাগিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট পর চুল ভালো করে শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিন কোঁকড়া চুলের জন্য এই প্যাকটি অনেক উপকারী এর ফলে চুল সোজা ও নরম হবে

শুষ্ক চুলের জন্যঃ আধা কাপ দইয়ের সাথে ২ চামচ বাদামের তেল এবং ২ টা ডিম ফেটে ভাল ভাবে মিশিয়ে নিন এইবার এই মিশ্রণটি ৩০ মিনিট মাথায় লাগিয়ে শ্যাম্পু করে নিন গরম কালে বাইরে ধুলাবালি জমে চুল অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যায়। এই প্যাকটি চুলের শুষ্কতা দূর করে চুলকে নরম করে তোলে।

খুশকি দূর করতেঃ ১ কাপ দই ১ ঘণ্টার জন্য পুরো মাথায় লাগিয়ে রাখুন। অতঃপর শ্যম্পু করে চুল ভালোমতো ধুয়ে নিন। দইয়ে এক ধরনের এসিড আছে যা চুলের খুশকি দূর করতে অনেক উপকারী। কারন এর মধ্যে যে প্রোটিন আছে তা এক ধরনের দুধ হিসেবে ব্যাবহার করা হয়।

চুল পড়া বন্ধ করতেঃ দইয়ের সাথে মেথি মিশিয়ে চুলে ব্যবহার করলে, চুল পড়া বন্ধ হয়। প্যাকটি ৪৫ মিনিট মাথায় রেখে, শ্যাম্পু করে নিবেন। প্যাকটি হেয়ার ফল দূর করার ক্ষেত্রে অনেক পরিক্ষিত।

চুল সিল্কি করতেঃ চুল সিল্কি করতে দই, লেমন জুস, মধু, ডিম একসাথে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করবেন। ৩০ মিনিট রেখে চুল ধুয়ে নিলে, চুলের হারানো উজ্জলতা ফিরে আসবে।