আসুন জেনে নিই ব্রণ ও কালো দাগ দূর উপায় !

ব্রণ ও কালো দাগ হলে প্রথম থেকেই সতর্কতা অবলম্বন করা উচিৎ। ত্বকের ক্ষেত্রে অবহেলার ফল মারাত্নক হতে পারে। আর নষ্ট করে দিতে পারে আপনার সুন্দর চেহারার সৌন্দর্য মুখের এসব কালো দাগ ও ব্রণ দূর করার জন্য বাড়তি একটু পরিচর্যা দরকার।
) ২ চামচ বেসন, ১ চা চামচ কাঁচা হলুদ বাটা, ১ চা চামচ কমলার খোসা বাটা একসাথে মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করুন। এবার এটা মুখে ঘাড়ে মাখিয়ে রেখে ১৫-২০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন।
) আপেল এবং কমলার খোসা একসাথে বেটে এর সাথে ১ চামচ দুধ, ডিমের সাদা অংশ এবং কমলার রস মেশান। এবার মিশ্রনটা ত্বকে ২০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন।
) পাকা পেঁপের শাঁস মুখে মেখে নিন। ১ চামচ পাকা পেঁপের শাঁস ও ১ চামচ শশার রস মুখে মেখে নিন। ত্বক উজ্জ্বল হবে।
) ব্রণ থাকাকালীন মুখমন্ডলের ত্বকে কোন তৈলাক্ত পদার্থ ও ক্রিম লাগাবেন না।
) একটি ডিম, ২ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল, একটি গোটা লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নিন, এটি নখ, গলা, হাত ও ঘাড়ের কালো ছোপে ১৫-২০ মিনিট লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ব্রণের দাগ, হাত, ঘাড়ের কালো ছোপ ইত্যাদি সেরে যাবে।
)  চিনির সাথে অলিভ অয়েল মিশিয়ে সারাগায়ে মেখে শুকাতে দিন। শুকিয়ে গেলে এটিকে ঘষে তুলে ফেলুন। এবার সামান্য গরম পানিতে ভালো করে গোসল করে নিন। সপ্তাহে একবার করবেন। এতে শরীরের ত্বক মসৃণ থাকবে।
) ১ চা চামচ লেবুর রস ও ১ চামচ মধু মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ১০-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলবন। মুখে লাবন্য আসবে।
) বেশি বেশি করে পানি খাবেন বেশি বেশি করে পানি খাবেন

কিভাবে হাঁটু ও কনুইয়ের যত্ন নিবেন ?

অযত্ন, পরিবেশ, আবহাওয়া ইত্যাদি কারণে দক্ষিণ এশিয়ার মানুষদের হাঁটু ও কনুই কালো হয়ে যায়। প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে এই সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।
রূপচর্চাবিষয়ক ওয়েবসাইটে সহজে হাঁটু ও কনুইয়ের কালো দাগ কমানোর উপায়ের সম্পর্কে জানান আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন রূপবিশেষজ্ঞ ও আল্পস বিউটি ক্লিনিকের নির্বাহী পরিচালক ঈষিকা তানিজা।
তিনি প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করার বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দেন। সেই বিষয়গুলো এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হল-
লেবুর ব্যবহার
এক টুকরা লেবুর সঙ্গে আধা চামচ লবণ ও চিনি মিশিয়ে তা হাঁটু ও কনুইয়ে ভালোমতো ঘষতে হবে। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে তা ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে।
লেবুর ভিটামিন সি ও সিট্রিক অ্যাসিড ত্বকের রং উজ্জ্বল করার প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে লেবু ও চিনির মিশ্রণ মৃতকোষ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
পেঁপে
এই ফলে রয়েছে ত্বক পরিষ্কার করার এনজাইম, পাপাইন। তাছাড়া আরও আছে ভিটামিন ‘সি’ এবং ‘এ’, যা হাঁটুর ও কনুইয়ের কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে। এক টুকরা পেঁপে ও দই ভালোভাবে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে তা হাঁটু ও কনুইয়ে লাগিয়ে ঘষতে হবে। নিয়মিত এই মিশ্রণ ব্যবহার করার ফলে হাঁটু ও কনুইয়ের কালো দাগ কমে আসবে।
তেল ব্যবহার
নানান রকম প্রাকৃতিক তেল যেমন জলপাইয়ের তেল, নারিকেল তেল ও বাদামের তেলে ভিটামিন ‘ই’ থাকে, যা ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে। অলিভ অয়েলের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট কালো ও ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক সারাই করতে পারে। তাই প্রতিরাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে যে কোনো প্রাকৃতিক তেল হাঁটু ও কনুইয়ে লাগিয়ে ঘুমালে উপকার পাওয়া যায়।
পরিষ্কার রাখা
প্রতিদিন গোসলের সময় ভালোভাবে সাবান দিয়ে হাঁটু ও কনুই ঘষে পরিষ্কার করতে হবে। সম্ভব হলে নরম কাপড় বা লোফা দিয়ে কনুই ও হাঁটু ঘষতে হবে। সপ্তাহে একদিন স্ক্রাব ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।

জেনে নিন লম্বা হওয়ার সহজ উপায় কি ?

লম্বা হওয়া না হওয়া জেনেটিক ব্যাপার। সাধারণত ২১ থেকে ২৩ বছর বয়স পর্যন্ত মানুষ লম্বা হয়। দৈহিক বৃদ্ধিতে বিশেষ করে লম্বা হওয়ার জন্য সাঁতার খুব ভালো একটা ব্যায়াম আসুন জেনে নেয়া যাক সেসব সবজি খেলে আপনার দৈহিক বৃদ্ধি পাবে

পালং শাকঃ পালং শাক পৃথিবীর সবচাইতে বেশি পুষ্টিকর শাকের মধ্যে একটি। পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ফাইবার ও মিনারেল আছে। ফলে পালং শাকও আপনাকে লম্বা হতে সাহায্য করবে দারুনভাবে।

ব্রোকলিঃ ব্রোকলি হলো ফুলকপি গোত্রের একটি সবুজ রঙের সবজি। ব্রোকলি খুবই পুষ্টিকর একটি সবজি। ব্রোকলিতে ভিটামিন সি, বিভিন্ন রকম ফাইবার ও আয়রন আছে। এছাড়াও ব্রকলিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে প্রচুর পরিমানে। ব্রোকলি গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে।

ঢেঁড়সঃ লালাযুক্ত এই সবজিটি অনেকেরই প্রিয় খাবার। আবার কারো কারো অপছন্দেরও সবজি। ঢেঁড়সে আছে ভিটামিন, মিনারেল, কার্বোহাইড্রেট, পানি ও ফাইবার। এই উপাদানগুলো গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে।

বাঁধাকপিঃ বাঁধাকপিতে আছে ক্যান্সার প্রতিরোধী এ্যান্টি অক্সিডেন্ট নামক উপাদান। এছাড়াও বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, আয়রন, প্রোটিন ও ফাইবার আছে। এই উপাদান গুলো সম্মিলিত ভাবে শরীরের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করে এবং গ্রোথ হরমোনের কার্যকারিতা বাড়ায়।

মটরশুঁটিঃ শীতকালীন এই সবজিটি খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু ও সবার কাছে বেশ প্রিয়। বড় ছোট সবাই খুব পছন্দ করে মটরশুঁটি খেয়ে থাকেন। মটরশুটিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, লুটেইন ও প্রোটিন আছে। যা শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক।

নারীদের গর্ভপাত রোধ করতে যা করবেন ।

সন্তান সবার কাছে প্রিয়। সন্তান না হলে জীবনের পূর্ণতা হয় না। একজন নারীর জীবনে পূর্ণতা এনে দেয় তার গর্ভজাত সন্তান। আর সেই নারীত্বের প্রতীক সন্তানকে অকালে হারালে তা যে কী পরিমাণ কষ্টকর, তা ভুক্তভোগী ছাড়া অন্য কেউ অনুধাবনই করতে পারে না। 

অকালে গর্ভপাত বা মিসক্যারিজ যাদের হয়েছে তাদের দুবির্ষহ যন্ত্রণার কথা বলাই বাহুল্য। গর্ভপাত বা মিসক্যারিজের পেছনে থাকতে পারে নানা কারণ। এমনকি কিছু খাবারও হতে পারে এর পেছনে দায়ী। হ্যাঁ, তালিকায় আছে সবজিও। তাই চিনে নিন এমন কিছু খাবার এবং হোন সতর্ক।

বেগুনঃ বেগুন আপনার পছন্দের সবজি হতেই পারে। আর সবজিটি আয়রনের অন্যতম একটি উৎস। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলেন, বেগুন এমন একটি সবজি যা মিসক্যারেজের জন্য একটি ঝুঁকিপূর্ণ কারণ হতে পারে।

পুঁইশাকঃ পুঁইশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে এবং আয়রন। কিন্তু আপনি যদি আপনার গর্ভকালীন অবস্থায় নিয়মিত খাদ্যতালিকায় এই সবজিটি রাখেন, তাহলে তা গর্ভপাতের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। আর যদি খেতেই চান তাহলে মাসে একবারের বেশি নয়। সবচেয়ে ভালো হয় পুঁইশাক এড়িয়ে চলতে পারলে।

ব্রকোলিঃ তালিকায় ব্রকোলির নাম দেখে চমকে গেলেন? ব্রকোলিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। এই অতিরিক্ত ভিটামিন সি গর্ভের শিশুর জন্য খুব একটা উপকারী নয়। বিশেষ করে গর্ভধারণের প্রথম তিনমাসে এটি যদি আপনি আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখেন, তাহলে হতে পারেন গর্ভপাতের শিকার।

ফুলকপিঃ ফুলকপিও একই কারণে গর্ভবতী মায়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ এতেও রয়েছে উচ্চ মাত্রার ভিটামিন সি যা গর্ভের শিশুর জন্য ক্ষতিকারক। তবে অনেকেই বলেন যে গর্ভকালীন ফুলকপি খাওয়া ভালো। তবে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান তা সমর্থন করে না।

বীটঃ বীটে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে এবং আয়রন, যা খাওয়া গর্ভবতী মায়েদের জন্য ঠিক নয়। তাছাড়া বীট গরমজাতীয় সবজি, যা গর্ভকালে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের কারণ হতে পারে। তাই নিজের এবং অনাগত সন্তানের খাতিরে বীট এড়িয়ে চলুন।

ক্যাপসিকামঃ আজকাল প্রায় সব খাবারেই ক্যাপসিকাম দেয়া থাকে। একদিক থেকে ভাবলে সবুজ ক্যাপসিকাম স্বাস্থ্যের জন্য ভালোই। তবে এটি প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় নিয়মিত রাখা গর্ভবতী মায়েদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

মরিচঃ গর্ভকালীন ঝাল ও গরম খাবার যতটা এড়িয়ে চলা যায় ততটাই ভালো। অতিরিক্ত মরিচ খেলে যেমন সময়ের আগেই প্রসব হতে পারে, তেমনি হতে পারে গর্ভপাতও।

জেনে নিন আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠার উপায় !

আত্মবিশ্বাস মানে হল নিজের প্রতি বিশ্বাস নিজের যোগ্যতার উপর বিশ্বাস নিজেকে অন্যের কাছে তুলে ধরার প্রেরণা স্বাধীনতা, স্বকীয়তা, উৎসাহ, আবেগ নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা, সমালোচনার মুখোমুখি হওয়া, ইতিবাচক মনোভাবসব কিছুই গড়ে উঠে আত্মবিশ্বাসের চাকায় আত্মবিশ্বাস আর ব্যক্তিত্ব একে অন্যের সাথে জড়িত আত্মবিশ্বাসের অভাবে ব্যক্তিত্ব দৃঢ় হয় না, তেমনি অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস-ও ব্যক্তিত্বে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে

আত্মবিশ্বাস অর্জন করা কোন রাতারাতি ব্যাপার নয় দীর্ঘদিনের চর্চা এবং অভ্যাসে আত্মবিশ্বাস গড়ে উঠে আত্মবিশ্বাস কেউ কাওকে দিতে পারে না, নিজে নিজেই অর্জন করতে হয় যেকোনো কাজে সফল হতে হলে আত্মবিশ্বাসী হওয়া জরুরী আমাদের প্রায়ই বিভিন্ন কাজে বা ভাইভা বোর্ডে শুনতে হয় আত্মবিশ্বাসের অভাব রয়েছে ক্ষতি কি যদি আমরা নিজেদের একটু আত্মবিশ্বাসের ছোঁয়া দিতে পারি

আত্মবিশ্বাস না থাকার বৈশিষ্ট্যঃ
আত্মবিশ্বাস একেক জনের কাছে একেক রকম কারণ আমাদের সবার জীবনযাত্রা আলাদা, ব্যক্তিত্ব আলাদা তবু কিছু কিছু ব্যাপার হীনমন্যতার সৃষ্টি করে যেমন-
০১) কোন কাজ করার আগে অন্য লোকজন কি ভাববে, এটা নিয়ে চিন্তা করা ফলে কাজটি করা নিয়ে দ্বিধায় থাকা
০২) কোন কাজে পরাজিত হলে বা ভুল করলে মানতে না পারা নিজের ভুলগুলো স্বীকার না করা
০৩) নিজের ভুলগুলোর জন্য নিজের ভাগ্যকে দোষারোপ করা
০৪) ভুলগুলো থেকে শিক্ষা না নিয়ে একই কাজ পুনরায় করা
০৫) নতুন কোন উদ্যোগ নিতে গিয়েও পিছিয়ে পড়া
০৬) নিজের কাজের জন্য অন্যের কাছে মূল্যায়ন চাওয়া
০৭) নিজেকে অন্যের চেয়ে ছোট ভাবা
০৮) সব কাজে লজ্জা এবং অস্বস্তি অনুভব করা

আত্মবিশ্বাস না থাকার কারণঃ
জন্মের পর থেকেই একজন মানুষ আত্মবিশ্বাসী বা আত্মবিশ্বাসহীন হয়ে গড়ে উঠে না, পারিপার্শ্বিক পরিবেশ-ই মানুষের আত্মবিশ্বাস থাকা এবং না থাকার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যেমন
০১) অতীত তিক্ত অভিজ্ঞতা
০২) এমন লক্ষ্য স্থির করা যা বাস্তবসম্মত নয়
০৩) বড় হওয়ার সময়টুকুতে নেতিবাচক অভিজ্ঞতা
০৪) পরিবারের সদস্যদের বিচ্ছিন্ন হওয়া
০৫) অন্যদের কাছ থেকে সফলতার জন্য অনেক বেশি প্রেশার পাওয়া
০৬) যতটুকু ক্ষতি হয়েছে তার চেয়েও অনেক বেশি ক্ষতি কল্পনা করা
০৭) অনেক বেশি অন্তর্মুখী হওয়া
০৮) ছোটবেলা থেকে অতিরিক্ত শাসনে বড় হওয়া

আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার উপায়ঃ
প্রতিযোগিতার এই যুগে আত্মবিশ্বাসী হওয়ার কোন বিকল্প নেই কিছু ব্যাপার চর্চা করার মাধ্যমে ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা সম্ভব
০১) নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন, কী কী কারণে আপনি নিজেকে অন্যের চেয়ে ছোট ভাবেন, লজ্জা পান অথবা অস্বস্তি বোধ করেন সম্ভব হলে একটি কাগজে লিখে রাখুন যখন এই সমস্যাগুলোর সমাধান হয়ে যাবে, তখন ঐ কাগজটি ছিঁড়ে ফেলতে পারেন
০২) আপনার প্রিয়জনদের সাথে আপনার সমস্যাটি শেয়ার করুন এবং তাদের সাহায্য নিন
০৩) আপনার চারপাশ, অতীত অভিজ্ঞতা সব কিছুই বর্তমানের সাথে মানিয়ে নিন
০৪) পৃথিবীতে কেউই পারফেক্ট নয় আপনার ভুল গুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে শুরু করুন
০৫) সবার জীবনেই কিছু না কিছু সফলতা থাকেওগুলো শনাক্ত করুন তার জন্য নিজেকে গর্বিত ভাবুন, নিজেকে ক্রেডিট দিন আপনি-ও পারেন, এটা নিজেকে জানিয়ে দিন
০৬) আপনি যেমন আছেন তেমন-ই ইউনিক আর সবার চেয়ে আলাদা এজন্য নিজেকে ধন্যবাদ দিন
০৭) সবসময় পজিটিভ চিন্তা করুন পারিপার্শ্বিক অবস্থা আপনাকে অনুমোদন না করলেও ইতিবাচক হোন
০৮) কেউ আপনাকে কোন কমপ্লিমেন্ট করলে তা হৃদয়ে ধারণ করুন এবং ইতিবাচক সাড়া দিন
০৯) আয়নার দিকে তাকিয়ে নিজেকে দেখুন এবং নিজেকে হাসি উপহার দিন
১০) সবসময় মনে করুন আপনি একজন আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তি এবং সেভাবেই সবার সাথে আচরণ করুন
১১) নিজেকে কখনই পারফেক্ট ভাববেন না এতে নিজের ভুল সংশোধন করা যায় না
১২) যখন-ই সুযোগ পান, অন্যকে সাহায্য করুন
১৩) আত্মবিশ্বাস আছে এমন মানুষের সাথে মিশুন
১৪) কখনই বিষণ্ণতায় ভুগবেন না
১৫) দরকার হলে আপনার লাইফস্টাইল বদলে ফেলুন পোশাক থেকে শুরু করে অভ্যাস সব কিছুতেই পরিবর্তন আনতে পারেন
১৬) আত্মকেন্দ্রিক হওয়া থেকে বিরত থাকুন এতে আপনি আত্মবিশ্বাসী হতে পারবেন না
জীবন একটাই একে আপনি গড়ে তুলুন যেভাবে আপনি চান আত্মবিশ্বাসী হওয়া আপনার উপর নির্ভর করে আত্মবিশ্বাসী হোন আর সফলতায় ঝলসে উঠুন


আসুন জেনে নিই কোন ডিমের কত বয়স !

আমাদের সংসারে প্রতিদিন ডিমের প্রয়োজন হয় এই সুযোগটা কাজে লাগান বাজারের ডিম বিক্রেতারা। তাদের ডালিভর্তি সুন্দর ডিম দেখে বোঝার উপায় নেই কোনটা কতোদিনের। 

অনেক সময় টাকা দিয়ে কিনে এনে শেষে ফেলে দিতে হয়। কখনো আবার অনেকদিন আগে কিনে রাখা ডিমটি খাওয়ার উপযুক্ত আছে কিনা সেটাও জানার দরকার হয়। কিন্তু উপায় কি? জেনে নিন সহজ উপায়।

প্রথমে একটি পানিপূর্ণ পাত্রে একটি ডিম দিন। ডিমটি যদি সম্পুর্ণ ডুবে গিয়ে পাত্রের তলায় পড়ে থাকে, তবে বুঝতে হবে ডিমটি একদমই টাটকা। ডিমের মোটা অংশ যদি উপর দিকে উঠে আস্তে আস্তে সোজা হতে থাকে, তবে ডিমটি এক সপ্তাহ আগের। ডিমের চিকন অংশ যদি উপরের দিকে উঠে ডিমটি একদম সোজা হয়ে যায়, তবে বুঝে নেবেন ডিমটি ২ থেকে ৩ সপ্তাহ আগের। আর ডিমটি যদি নষ্ট বা খুব বেশি পুরাতন হয় তবে পানিতে ভেসে উঠবে। তখন নিশ্চিত থাকবেন ডিমটি আর খাওয়ার উপযুক্ত নেই। ফেলে দিন দ্রুত।